বৃষ্টির ফোঁটা গোলাকার ধারণ করে-
-
ক
অভিকর্ষজ ত্বরণের জন্য
-
খ
পৃষ্ঠটানের জন্য
-
গ
আন্তঃআণবিক শক্তির জন্য
-
ঘ
কৈশিকতার জন্য
বৃষ্টির ফোঁটা গোলাকার ধারণ করে পৃষ্ঠটানের জন্য।
পৃষ্ঠটান হল একটি তরল পদার্থের অভ্যন্তরের অণুগুলির মধ্যে একটি আকর্ষণ বল। এই বলটি তরলের পৃষ্ঠের অণুগুলিকে একসাথে ধরে রাখে এবং তরলের পৃষ্ঠকে একটি টানটান চামড়ার মতো করে তোলে।
যখন একটি তরল পদার্থের একটি ফোঁটা গঠিত হয়, তখন পৃষ্ঠটান ফোঁটার পৃষ্ঠের চারপাশে একটি বল তৈরি করে। এই বলটি ফোঁটার পৃষ্ঠকে সবচেয়ে কম আয়তনের আকৃতি ধারণ করতে চায়, যা একটি গোলক।
অভিকর্ষজ ত্বরণ, আন্তঃআণবিক শক্তি এবং কৈশিকতা বৃষ্টির ফোঁটার আকারকে প্রভাবিত করে, তবে পৃষ্ঠটানই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কারণ।
অভিকর্ষজ ত্বরণ ফোঁটাকে নিচের দিকে টানে, তবে এটি ফোঁটার আকৃতিকে গোলাকার করার জন্য যথেষ্ট শক্তিশালী নয়। আন্তঃআণবিক শক্তি ফোঁটার পৃষ্ঠের অণুগুলিকে একসাথে ধরে রাখে, তবে এটিও ফোঁটার আকৃতিকে গোলাকার করার জন্য যথেষ্ট শক্তিশালী নয়। কৈশিকতা হল একটি তরল পদার্থের একটি নলের চারপাশে উত্থিত হওয়ার প্রবণতা। এটি বৃষ্টির ফোঁটাকে কিছুটা দীর্ঘায়িত করতে পারে, তবে এটি ফোঁটার আকৃতিকে গোলাকার থেকে বিকৃত করে না।
সুতরাং, বৃষ্টির ফোঁটা গোলাকার ধারণ করে পৃষ্ঠটানের জন্য।
| নিজে কর : বাজারে পাওয়া যায় এমন একটি দিক নির্দেশক কম্পাস নাও। একটি পরিবাহী তার দিয়ে একে কয়েক পাক জড়িয়ে নাও। এখন তারের দুই প্রান্ত একটি শুষ্ক কোষের দুই প্রান্তে স্পর্শ করাও। পরিবাহীর ভিতর দিয়ে তড়িৎ প্রবাহ চলছে। কী দেখলে? |
|---|
কম্পাসের চুম্বক শলাকাটি তার আগের উত্তর-দক্ষিণ অবস্থান থেকে ঘুরে গেল। আমরা জানি কোনো চুম্বক শলাকা তার সাম্যাবস্থান থেকে তখনই বিচ্যুত হয় যখন এটি একটি চৌম্বক ক্ষেত্রের মধ্যে থাকে।
ওয়েরস্টেডের পরীক্ষা
কোনো পরিবাহীর ভেতর দিয়ে তড়িৎ প্রবাহিত হলে এর চারপাশে চৌম্বকক্ষেত্রের সৃষ্টি হয়। একে তড়িৎ প্রবাহের চৌম্বক ক্রিয়া বলে । প্রবাহের এই চৌম্বক ক্রিয়া ওয়েরস্টেড 1819 সালে নিম্নোক্ত পরীক্ষার সাহায্যে প্রমাণ করেন।
পরীক্ষা : মুক্তভাবে স্থাপিত একটি চুম্বক শলাকা NS-এর কিছু ওপরে এর দৈর্ঘ্য বরাবর পরিবাহী তার AB স্থাপন করে তারের ভেতর দিয়ে তড়িৎপ্রবাহ চালনা করা হলে চুম্বক শলাকাটি তার সাম্যাবস্থান থেকে বিচ্যুত হয় । চিত্র (৪.১)। পরিবাহীতে তড়িৎপ্রবাহের পরিমাণ বাড়ালে চুম্বক শলাকার বিচ্যুতির পরিমাণও বেড়ে যায়। যদি পরিবাহীটিতে প্রবাহের অভিমুখ বিপরীত করে দেওয়া হয়, সেক্ষেত্রেও চুম্বক শলাকার বিচ্যুতি ঘটে- তবে এর ঘুরার দিক আগের ঘুরার দিকের বিপরীত হয়। আবার পরিবাহী তারটি চুম্বক শলাকার নিচে রেখে পরীক্ষাটি সম্পন্ন করাহলেও চুম্বক শলাকার বিচ্যুতি ঘটে। প্রবাহের দিক একই রেখে পরিবাহীটি শলাকার ওপরে | রাখলে শলাকাটি যে দিকে ঘুরে এক্ষেত্রে তার বিপরীত দিকে ঘুরে। পরিবাহীতে প্রবাহ চালনা বন্ধ করা হলে শলাকাটি তার পূর্বের অবস্থানে ফিরে আসে। |
|---|
আমরা জানি, মুক্ত অবস্থায় চুম্বক শলাকা ভূ-চুম্বকত্বের প্রভাবে সাম্যাবস্থায় উত্তর-দক্ষিণ বরাবর থাকে। এই চুম্বক শালাকার ওপর যদি অন্য কোনো চৌম্বকক্ষেত্রের প্রভাব থাকে তাহলেই সেটি তার সাম্যাবস্থান থেকে বিচ্যুত হয়। পরিবাহী তারের মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহিত হলে চুম্বক শলাকাটি বিচ্যুত হয় –এর থেকে বোঝা যায় চুম্বক শলাকা যে স্থানে আছে সেখানে একটি চৌম্বকক্ষেত্রের সৃষ্টি হয়েছে। যতক্ষণ প্রবাহ থাকে ততক্ষণই এই চৌম্বক ক্ষেত্র থাকে। সুতরাং ওয়েরস্টেডের পরীক্ষা থেকে প্রমাণিত হয় যে, তড়িৎপ্রবাহের ফলে এর চারপাশে চৌম্বক ক্ষেত্রের সৃষ্টি হয়। এই পরীক্ষা থেকে আরো বোঝা যায় যে, বিভিন্ন বিন্দুতে চৌম্বক ক্ষেত্রের মান ও দিক বিভিন্ন হয়।
Related Question
View All-
ক
ওয়েবার
-
খ
ভোল্ট
-
গ
অ্যাম্পিয়ার
-
ঘ
টেসলা
-
ক
ফোটন
-
খ
বোসন
-
গ
মুঅন
-
ঘ
গ্রাভিটন
-
ক
-
খ
-
গ
-
ঘ
-
ক
i ও ii
-
খ
i ও iii
-
গ
ii ও iii
-
ঘ
i ii ও iii
-
ক
0.04 H
-
খ
0.4 H
-
গ
4 H
-
ঘ
40 H
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
Related Question
Question Analytics
মোট উত্তরদাতা
জন